এই চার ধরনের মেয়েরা নোং’রা ও চরি’ত্রহী’ন হয়ে থাকে, দেখুন বিস্তারিত

ভারতীয় জ্যোতিষের একটি বিশেষ শাখা হল সমুদ্রশাস্ত্র, সমুদ্রশাস্ত্রের কাজ হল দেহ লক্ষন থেকে মানুষের চরিত্র বিচার করা। আমরা জানি মুলত চারটি ধারায় সমুদ্রশাস্ত্র নারিদের বিচার করে যা হল পদ্মিনী, সঙ্কিনি, চিত্রিণী এবং হস্তিনি। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ বাহ্যিক চেহারা থেকে উঠে আসা সিদ্ধান্ত। আরও সুক্ষ স্তরে গিয়ে সমদ্র শাস্ত্র পাঁচ ভাগে ভাগ করে নারীদের।

সেখানে অয়ে-বয়ে-নয়ে বিচার হয় গুনাবলির, এখানেই সমুদ্র শাস্ত্র প্রবেশ করে মানুষের মনের গহিনে। বর্তমানে সমুদ্রশাস্ত্র বিদ্যার চল কমে এলেও অনেকে আস্থা রাখেন এই পদ্ধতির উপর, তাহলে চলুন জেনে নি কোন নামের নারী কেমন হয়ে থাকেন।

যে নারীর পায়ে শঙ্খ, চক্র, পদ্ম, পতাকা, কিনবা মৎস্য চিহ্ন আছে তাদের রাজরানী হওয়ার যোগ রয়েছে। কিন্তু যে নারীর পায়ের পাতায় ইঁদুর, সাপ কিংবা কাকের চিহ্ন আছে তারা চরিত্রহীন হয়, এমন কি এদের কপালে দারিদ্র যোগ থাকে।

যে নারীর পায়ের বুড়ো আঙ্গুল ছোট হয় তাদের আয়ু কম। যে নারীর পায়ের পাতার তলদেশ এব্রখব্র তারা চরিত্রহীন হয়ে থাকে। যে নারীর গোড়ালি দৃঢ় হয় তার আকাঙ্ক্ষা না করাই ভালো। যে নারীর গোড়ালি উঁচু সেই নারীর দুশ্চরিত্র হওয়ার সম্ভবনাও বেশি। এখন জেনে নি ৫ রকম নারী সম্পর্কে –

মানুশ্যসত্বঃ- এই ধরনের নারীরা মানবিক, দয়ামায়া সম্পন্য এবং বন্ধু ভাবাপন্ন। এরা পরিশ্রমী এবং সৎ। সেই সঙ্গে উদারচেতা ও ধর্ম ভীরু, এদের গাত্রবর্ণ গমের মত।

পিশাচসত্বঃ- নাম থেকেই বোঝা যায় এদের মধ্যে পৈশাচিকতা বর্তমান। এরা সাধারণত চরিত্রহীন হয়ে থাকেন, এরা সহজে সন্তুষ্ট হন না।

যজ্ঞসত্বঃ- সম্পদের ওপর এরা প্রভাব ফেলতে পারেন, এদের দেহ সৌন্দর্যও দেখার মত, এরা মাংস ও মদ খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু এরা সাধারনত একগুয়ে প্রকৃতির হয়ে থাকেন।

দেবসত্বঃ- এরা পবিত্র এবং সৎ গুন সম্পন্ন নারী, তার উপস্থিতি সুগন্ধবাহি, এ নারী শুলখ্যনা ও মৃদুভাষী।

গন্ধর্বসত্বঃ- এ নারী প্রেমিকা প্রকৃতির, বুদ্ধিমতি, সৃজনশীল ও কলা পারদর্শিনী, তবে এরা খুব বেশি মাত্রায় বিলাশ পছন্দ করেন।

৫০০০+ মজদার রেসিপির জন্য Google Play store থেকে Install করুন “রান্না-বান্না& Recipes” মোবাইল app…. 🙂
.
মোবাইল app Download Link >>> http://bit.ly/32lhMSV

Loading...